মঙ্গলবার , ডিসেম্বর ১১, ২০১৮
সদ্যপ্রাপ্ত সংবাদ

নাসা কেন আর চাঁদে যাওয়ার চেষ্টা করেনি?

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ডেস্ক

পৃথিবীই কি একমাত্র গ্রহ যেখানে প্রানের অস্তিত্ব রয়েছে? কিন্তু মহাবিশ্বে অনেক গ্রহ রয়েছে এবং সেইখানেও কি প্রানের অস্তিত্ব রয়েছে? আর যদি কোনো প্রানের অস্তিত্ব থেকে থাকে তবে তারা কিভাবে জীবন যাপন করে? এমন অনেক প্রশ্ন আছে আমাদের মনে। অনেক বছর আগে নাসা চাঁদে একদল লোক পাঠায়, যারা ওইখান থেকে কিছু তথ্য সংগ্রহ করে এবং পৃথিবী ছাড়া অন্য কোথাও প্রানের কোনো অস্তিত্ব আছে কিনা সেটি দেখতে। কিন্তু চাঁদে যাওয়ার পরে আসলে কি পাওয়া গিয়েছিল সেগুলি সাধারণ মানুষের থেকে লুকিয়ে রাখা হয়। কিছু এমন তথ্য পাওয়া গেছে যা থেকে বোঝা যায় যে চাঁদে এমন কিছু জিনিস রয়েছে যেগুলোকে নাসা কোনোদিনও সাধারণ মানুষের কাছে প্রকাশ করেনি। চাদের ডার্ক সাইডে এমন কি রয়েছে? কি এমন খুজে পেয়েছিল নাসা যে তারা কোন দিনই আর চাঁদে যাত্রা করার চেষ্টা করেনি। আজ আমরা আলোচনা করব অ্যাপোলো মিশনে সফলতা পাওয়ার পরেও এই চুয়াল্লিশ বছরে নাসা কেন একবারও চাঁদে যাওয়ার চেষ্টা করেনি?

আমরা পৃথিবী থেকে চাঁদকে দেখতে পাই। চাদেও কি এমন কেউ আছে যে আমাদের দেখতে পায়? আপনাদের কি মনে হয় এই বিশ্বে শুধু মাত্র আমরাই আছি? পৃথিবী তো এই বিশ্বের ছোট্ট একটা গ্রহ মাত্র এই বিশ্বে এইরকম অসংখ্য গ্রহ রয়েছে যেখানে প্রাণী থাকতে পারে।

অ্যাপোলো ৯ মিশনে যখন মহাকাশচারীরা চাঁদের কাছে পৌঁছায় তখন তারা দেখে যে, ওইখানে আরো কিছু মহাকাশযান আগে থেকেই রয়েছে, যেগুলো উনাদের যানের নিচে উড়ছিল। ১৯৬৯ সালে নাসার অ্যাপোলো মিশনের ‘অ্যাপোলো ১১’ এর মাধ্যমে চাঁদে মানুষ প্রথম পা রাখেন। নীল আর্মস্টং, এডইন আলড্রিন এবং মাইকেল কলিন্স এই তিনজনের মধ্যে শুধুমাত্র নীল আর্মস্টং, এডইন আলড্রিন মাটিতে পা রাখেন।

এউএফও বিশেষজ্ঞরা বলেন যে, নাসার সঙ্গে এলিয়েনদের যোগাযোগ আছে এবং এর শুরু হয় অ্যাপোলো মিশনের মাধ্যমে। ১৯৪৭ সালে জুলাই মাসের আট তারিখে রজওয়েল নিউ মেক্সিকোতে একটি এলিয়েন স্পেস স্ক্রাচ করে যার খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই নাসা আমেরিকান সরকারের সাহায্যে সেইখানে পৌঁছায় এবং পুরো জায়গাটিকে ঘিরে ফেলে। সেখানে সাধারণ মানুষের যাতায়াত চিরতরে নিষিদ্ধ করে দেয়। সেখানে উনারা দেখেন যে, এটি একটি ভিন গ্রহের স্পেস শিপ এবং ওই স্পেস শিপের সব এলিয়েনদের মৃত অবস্থায় পাওয়া যায় কিন্তু একটি এলিয়েনকে জীবিত পাওয়া যায়। সেই সময় ইউএসএতে কোল্ড ওয়ার চলছিল।

বলা হয় যে, এই এলিয়েন মহাকাশযানটি পাওয়ার পরে আমেরিকা অনেক নতুন টেকনোলজি পেয়ে যায়। যার সাহায্যে দশ বছরের মধ্যেই আমেরিকা খুব উন্নতি করে। নতুন নতুন টেকনোলজি আবিস্কার ও অত্যাধুনিক আগ্নেয়াস্ত্র আবিস্কার করে ফেলে। এই দশ বছরে তারা হাইড্রোজেন বোমা সোলার পাওয়ার লেসার এবং আরো অনেক কিছু আবিস্কার করে ফেলে যেগুলো পৃথিবীতে একেবারে নতুন ছিল। এছাড়াও তারা নিজেদের পাওয়ার মহাকাশযান বানায়। ১৯৬৪ সালে নাসা একটি স্যাটেলাইট লঞ্চ করে যার নাম ছিল রেঞ্জার সেভেন। যা চাদের কক্ষপথ থেকে নাসাকে ৪০৬৭ টি ছবি পাঠায় এর মধ্যে খুব অল্প কিছু ছবি প্রকাশ করা হয়েছিলো। আসলে এটি এমন কিছু ছবি তুলেছিল যা নাসা কোনোদিনও প্রকাশ করতে চায়নি।

১৯৬৫ সালের জুন মাসে নাসার একটি ডকুমেন্টে বলা হয় যে, নাসার একজন এস্ট্রোনাট জেমস মাক ডেভিড এবং নাসার মধ্যে কিছু কথা হয়। তিনি বলেন যে, চাঁদে একটি অন্য মহাকাশযান দেখেছেন তিনি। তিনি এটির একটি স্পষ্ট ছবি নেয়ার জন্য ওইটির দিকে এগিয়ে যান কিন্তু সূর্যের তীব্র আলোতে তিনি সেটির স্পষ্ট ছবি নিতে পারেননি এবং ধীরে ধীরে ওই স্পেস শিপটি আলোর মাঝে মিলিয়ে যায়। এরপরে নাসা মহাকাশচারীদের সঙ্গে যোগাযোগ করার জন্য এমন কিছু কোড ওয়ার্ড বের করে যাতে কিছু দেখা গেলেও সেটি কেউ বুঝতে না পারে। এই কোড ওয়ার্ডগুলো হল, ফায়ার, বগি, সান্টা ক্লস ইত্যাদি।

১৯৬৮ সালের ১২ ডিসেম্বর অ্যাপোলো মহাকাশযানটি তাদের স্যাটেলাইটটিকে সফলভাবে চাদের কক্ষপথে স্থাপন করে। নাসা এবং ‘অ্যাপোলো ৮’ এর মধ্যে কিছু কথোপকথন হয় যাতে মিশন কন্ট্রোলার বলেন যে, সেখানে তিনি সান্টা ক্লস দেখেন। এর মানে তিনি সেখানে এলিয়েন বা ভিন গ্রহের কিছু একটা দেখেছিলেন। নাসার চাঁদে যাওয়া এই জন্য জরুরী ছিল। কারণ সেখানে যদি এলিয়েন বেস পাওয়া যায় তবে এলিয়েনদের সঙ্গে যোগাযোগ করে এমন অনেক টেকনোলোজি অর্জন করতে পারবে।

১৯৬৯ সালের ১৬ জুলাই ‘অ্যাপোলো ১১’ লঞ্চ হয়। এই মিশনটির দুইটি উদ্দেশ্য ছিল। প্রথমটি হলো চাঁদ আসলে কেমন এটি বোঝা, আর দ্বিতীয়টি হল যদি ওইখানে কোনো এলিয়েন থেকে থাকে তবে তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করা। মাইকেল কলিন্স যখন সামনে থেকে চাঁদকে দেখেন তখন তিনি প্রচণ্ড ভয় পান, যখন নীল আর্মস্টং এবং নাসার কথোপকথন হচ্ছিল তখন হঠাৎই এইটির লাইভ টেলিকাস্ট দুই মিনিটের জন্য বন্ধ করে দেয়া হয়। কিন্তু এমন কি ঘটেছিল এই দুই মিনিটের মধ্যে যা নাসা কাউকে দেখাতে চাইছিল না।

একটি লিক ডকুমেন্টারি নীল আর্মস্টং এবং বাকিরা সেখানে সত্যিকারের স্পেস শিপ দেখেছিল এবং তাদের এই কথোপকথন সম্প্রচারন নাসা বন্ধ করে দেয়। তাদের এই কথোপকথনটি দুইভাবে সম্প্রচারন করা হচ্ছিল। একটি যেটি পাবলিকলি লাইভ চলছিল এবং অপরটি হল যেটি নাসা থেকে কন্ট্রোল করা হচ্ছিল। যাতে এমন কিছু দেখা গেলে তার সম্প্রচারন সঙ্গে সঙ্গে বন্ধ করা হয়। কিন্তু সেখানে পাওয়া একটি অডিও আছে যা নাসা কোনোদিনও শিকার করেনি।

আমরা এতদিন পর্যন্ত এটাই জানতাম যে, অ্যাপোলো মিশনে তারা চাঁদের মাটিতে শুধুমাত্র আমেরিকান পতাকাই উত্তলন করে এসেছিলেন। কিন্তু নীল আর্মস্টং সেখানে পতাকা ছাড়াও অন্য দুইটি জিনিস রেখে এসেছিলেন। তার একটি হলো খাটি সোনার তৈরি গাছের পাতার প্রতিকৃতি। আর অন্যটি হলো সিলিকন ডিস্ক যেখানে একটি ম্যাসেজ রেকর্ড করা ছিল। যেটিতে ৭৩টি দেশের প্রধানমন্ত্রী এবং রাষ্ট্রপতির শুভেচ্ছাবার্তা রেকর্ড করা ছিল। যার মধ্যে প্রধানত এউএসএর শুভেচ্ছা এবং নাসার উচ্চপদস্থ আধিকারিদের বার্তা রেকর্ড করা ছিল।

যেখানে নাসা বলে এসেছে যে, তাদের সঙ্গে এলিয়েনদের কোনো যোগাযোগ নেই বা তারা কোনো দিন অন্য কোনো মহাকাশযান দেখেননি তাহলে এই সোনার পাতা আর রেকর্ডেড সিডি রাখার উদ্দেশ্য কি ছিল? এমন কি কারণ ছিল যে নাসা তারপর থেকে চাঁদে কোনো স্পেস শিপ পাঠায়নি।

ইউএফও এর বিশেষজ্ঞরা বলেন চাদের ডার্ক সাইডে সত্যি সত্যিই ইউএফও বেস আছে যেটি নাসাকে সেখানে যেতে বাধা দেয়। নাসার একটি স্পেস ক্রাফট জেটির নাম ছিল এসটিএস-৭৩ । ১৯৯৫ সালের একুশে অক্টোবর এস্ট্রোনাট কাথ্রিন জি কোল্ড যখন তার স্পেস ল্যাবে কাজ করছিলেন তখন তিনি কন্ট্রোল সেন্টারে জানান যে, তিনি একটি আন আইডেন্টিফাইড ফ্ল্যাইং অবজেক্ট বা ইউএফও দেখেন। যখন এই কথাটি ইউএস কংগ্রেস্মেন্টদের সঙ্গে কথা বলেন তখন তারা বলেন। এটি অযৌক্তিক। অই স্পেস ক্রাফট এর মধ্যে কোন গ্লাস এর উইন্ডো ছিল না কিন্তু পরবর্তীকালে নাসার ওয়েবসাইডে পাওয়া ডায়াগ্রাম থেকে বোঝা যায় যে, স্পেস ক্রাফটটিতে অপটিক্যাল উইন্ডো ছিল তাহলে ইউএস কংগ্রেস্মেন্ট কেনো মিথ্যা কথা বলেছিল?

আপনারা অবশ্যই ভাবছেন এই সব তথ্য কোথা থেকে পাওয়া গেছে? ২০০২ সালে গ্যারি মাক্কিনার নামের একজন হ্যাকার নাসার সার্ভার হ্যাক করে ২৭৮ জিবি ডাটা পাবলিক করে দেয়। যেটি আজ পর্যন্ত হওয়া সব থেকে বড় হ্যাকিং। এ কারণে তার ৭৩ বছরের জেল এবং দুই মিলিয়ন ডলার জরিমানা হয়।

সূত্রঃ ডেইলি বাংলাদেশ