বুধবার , জুন ২৬, ২০১৯
সদ্যপ্রাপ্ত সংবাদ

ভালো ঘুমে করণীয়…

জীবনধারা ডেস্ক 

পরিপূর্ণ ঘুম না হওয়ায় অনেকেই বিষন্নতা বোধ করেন! পুরো দিনটিই ঝিমিয়ে কাটে নিশ্চয়ই। এই অভিজ্ঞতা অনেকেরই রয়েছে। ঘুমের মতো ভালো আর কী হতে পারে? ভালো এবং সুস্থ ঘুম মন থেকে শুরু করে শরীর সব চাঙ্গা করে দেয়। জীবনে ঘুমের উপকারিতা উদযাপন করতে ১৫ মার্চ সারা বিশ্ব জুড়ে ঘুম দিবস পালন করা হয়। এই দিনটি মূলত ওয়ার্ল্ড স্লিপ সোসাইটির ওয়ার্ল্ড স্লিপ ডে কমিটি কর্তৃক আয়োজিত। ঘুমের সমস্যা বুঝতে এবং ঘুমের রোগ প্রতিরোধ ও পরিচালনায় সবাইকে সচেতন হওয়া অত্যন্ত জরুরি। কারণ অনিদ্রা স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়। সুখনিদ্রা নিশ্চিত করার জন্য কী কী করা উচিত তা জেনে নিন-

১. ঘুম ঠিক খাবার এবং ব্যায়ামের মতোই গুরুত্বপূর্ণ। একটি শরীরের সঠিকভাবে কাজ করার জন্য কমপক্ষে ৬ থেকে ৮ ঘন্টা ঘুম প্রয়োজন।

২. যারা কম ঘুমান তারা বেশি খান। কারণ তাদের শরীরের লেপটিন মাত্রা হ্রাস পায় ফলে খিদে বাড়ে। (লেপটিন একটি ক্ষুধা-নিয়ন্ত্রক হরমোন)

৩. সুষম এবং স্বাস্থ্যকর খাদ্য এবং সীমিত ক্যাফেইন ভালো ঘুমের জন্য আবশ্যক। বিশেষ করে সন্ধ্যায় অ্যালকোহল পানের পরিমাণ সীমিত করুন।

৪.দৈনন্দিন স্ক্রিন টাইম কমাতে হবে। ঘুমের আগে টিভি, ফোন বা অন্যকোনো ইলেকট্রনিক স্ক্রিনে চোখ রাখা এড়িয়ে চলুন।

৫. বেডরুমের পরিবেশ ভালো ঘুমের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। বেডরুমই হল সারাদিনের চাপ থেকে মুক্তির আশ্রয়স্থল। ঘুমের জন্য সর্বোত্তম পরিবেশ তৈরি করতে সমস্ত ইন্দ্রিয় ব্যবহার করুন।

৬. শয়নকক্ষ পরিষ্কার, শান্ত, অন্ধকার, এবং অ্যালার্জি ও গন্ধ মুক্ত হওয়া উচিত। তাজা বাতাস এবং শীতল তাপমাত্রা ভালো ঘুমের সহায়ক।

৭. বিছানার গদি বাছতে বুদ্ধি খাটান। গদি যেন অত্যধিক নরম না হয়। এটি যেন আপনার পিঠের জন্য ভালো হয়। অত্যন্ত নরম বা অত্যন্ত কঠিন গদি ব্যবহার না করাই উচিত।

৮. মাথায় কী দিয়ে শুয়েছেন তার উপর নির্ভর করে কতটা আরামদায়ক হতে পারে ঘুম। ঘাড়ের জন্য পাতলা বালিশ ব্যবহার করুন। বালিশ খুব মোটা হলে অঙ্গ প্রতঙ্গের সমস্যা হতে পারে এবং পর্যাপ্ত বিশ্রাম নাও হতে পারে।

৯. বিছানায় ঘুমের ঠিক আগে, হালকা স্ট্রেচিং করতে পারেন। এছাড়াও, আপনার মনকে ঘুমের আগে শান্ত করতে পেট থেকে গভীর শ্বাস নেয়ার অনুশীলন করুন।

১০. ঘুমের সময় নিশ্চিত করুন। প্রতিদিন একই সময়ে ঘুমোতে যান।

সূত্রঃ ডেইলি বাংলাদেশ

 

error: Content is protected !!