সোমবার , সেপ্টেম্বর ১৬, ২০১৯
সদ্যপ্রাপ্ত সংবাদ

প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য বিকারগ্রস্ত মনের বহিঃপ্রকাশ: রিজভী

নিউজ ডেস্ক

বুধবার (২ মে) গণভবনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেওয়া বক্তব্যের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে বিএনপি। দলটির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী আহমেদ এ প্রসঙ্গে বলেছেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য বিকারগ্রস্ত মনেরই বহিঃপ্রকাশ।’ বৃহস্পতিবার (৩ মে) দুপুরে রাজধানীর নয়াপল্টনে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে রিজভী এ মন্তব্য করেন।

প্রসঙ্গত, আওয়ামী লীগ সভানেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গতকাল সংবাদ সম্মেলনে বলেছিলেন, ‘আগামী নির্বাচনে কোন পার্টি আসলো বা আসলো না তাতে কিছু আসে যায় না, সংবিধান অনুযায়ী নির্বাচন হবে।’ তিনি আরও বলেছিলেন, ‘আদালতের সাজা পেয়ে খালেদা জিয়া কারাগারে, এখানে সরকারের কিছু করার নেই।’

এর উত্তরে রিজভী আহমেদ বলেন, ‘এটা স্বৈরশাসকের কণ্ঠস্বর। কারণ, স্বৈরশাসকরা জনগণকে তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য করে, কারণে অকারণে জ্ঞান দেয়। গতকাল প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সেটাই করেছেন। তার গতকালের সাংবাদিক সম্মেলনের বক্তব্য হিংসায়-প্রতিহিংসায় আকণ্ঠ আপ্লুত।’
রিজভী অভিযোগ করে বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী যখন দায়িত্ব নেন তখন তার বিরুদ্ধে ১৫টি মামলা ছিল। স্বাভাবিক গতিতে মামলা চললে উনার যাবজ্জীবন দণ্ড হতে পারতো। প্রধানমন্ত্রী ক্ষমতার জোরে মামলা প্রত্যাহার করে নিয়েছেন। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্ব সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশে বলতে চাই, আপনি ৮১ সালে দলের সভানেত্রী কীভাবে এবং কোন দেশে থেকে হয়েছিলেন সেটা কি আপনার মনে আছে?’
রিজভী বলেন, ‘তখন আওয়ামী লীগে অনেক বর্ষীয়ান নেতা ছিলেন, তাদের ডিঙিয়ে আপনি কীভাবে দলের সভাপতি হয়েছিলেন। আপনি তো আওয়ামী লীগের সদস্যও ছিলেন না। তারেক রহমান দলে ধাপে ধাপে সদস্য, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব এবং পরে সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান হয়েছেন। তিনি ধারাবাহিকভাবেই জাতীয় রাজনীতির আজকের অবস্থানে উন্নীত হয়েছেন।’
বিএনপির এই সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব বলেন, ‘এদেশে আর একতরফা জাতীয় নির্বাচন হবে না। তাই শেখ হাসিনা যতই মহাপরিকল্পনা করুন না কেন, সেই নীলনকশার নির্বাচন করতে পারবেন না। পরিবর্তনের ঝড়ো বাতাস বইতে শুরু করেছে।’
রিজভী আহমেদ বলেন, ‘আমি জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপির পক্ষ থেকে আপনাকে পরিষ্কার করে বলে দিতে চাই, বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া ছাড়া কোনও জাতীয় নির্বাচন হবে না। বাংলাদেশের জনগণ তা হতে দেবে না। আপনি যতই কৌশল করেন না কেন, আগামী জাতীয় নির্বাচন হতে হবে নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে এবং সব দলের অংশগ্রহণে।’

সূত্রঃ বাংলা ট্রিবিউন

error: Content is protected !!