সোমবার , নভেম্বর ১৮, ২০১৯
সদ্যপ্রাপ্ত সংবাদ

হত্যা না আত্মহত্যা ?


রবিউল হাসান লায়ন
সদরের শরিফপুর ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডের আরিফপুর এলাকা থেকে এক তরুণীর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
সরেজমিনে গিয়ে স্থানীয়দের সাথে কথা বলে জানা যায়, ওই এলাকার তারা মিয়ার দুই ছেলে এক মেয়ের মধ্যে তাহমিনা সবার ছোট। ৯ম শ্রেণিতে পড়াকালীন একই গ্রামের মানিকের শ্যালক শেরপুরের লক্ষীরচর ইউনিয়নের চরগজারিয়া আমিনুল ফকিরের ছেলে হৃদয়ের সাথে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। এ বিষয়টি জানতে পারে তাহমিনার বড় ভাই আলামিন। তাহমিনার অমতেই একপ্রকার জোরপূর্বকই ঢাকার দুই সন্তানের জনকের সাথে বিয়ে দিয়ে দেয়। তাহমিনা স্বামীর বাড়ীতে গিয়ে তার স্বামীর পূর্বের বিয়ে ও সন্তনের কথা জানতে পারে। এক পর্যায়ে রাগারাগি করে পিত্রালয়ে চলে আসেন। এসে হৃদয়ের সাথে আবার পূর্বের সম্পর্ক গড়ে তোলে। লোকমুখে জানা যায়, গত রাতে দুই পরিবারের লোকজন তাহমিনা ও হৃদয়ের বিয়ের ব্যাপারে বসেন এবং হৃদয়ের পরিবার বিয়ের শর্তমতে যৌতুক দাবী করে। যৌতুকের পরিমাণ বেশী চাওয়ায় বিয়ের আলাপ আর বেশীদুর এগুয়নি। কিন্তু তাহমিনা হৃদয়কে বিয়ের করার সিদ্ধান্তে অটল থাকে। এই নিয়ে বড় ভাই আলামিনের সাথে রাতে ঝগড়া হয়। সকালে ডাকাডাকিতে ঘুম থেকে না উঠলে তার মা তাহমিনাকে নিজ ঘরে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পায়। কিন্তু এলাকাবাসীর বক্তব্য, লাশ তাহমিনার মা ব্যতীত কেউই ঝুলন্ত অবস্থায় দেখেনি। সকালে কিছু প্রভাবশালী ব্যাক্তি আইন প্রয়োককারী সংস্থাকে বিষয়টি না জানিয়েই তাহমিনার লাশ দাফন করার চেষ্টা করে। পরে স্থানীয়দের সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ এসে লাশটিকে উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য হাসপাতালে প্রেরণ করে। এ বিষয়ে জামালপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নাসিমুল ইসলামের সাথে কথা বললে তিনি ময়না তদন্তের রিপোর্ট না পাওয়া পর্যন্ত কোন কিছুই বলা যাচ্ছে না বলে জানান।

error: Content is protected !!