সোমবার , সেপ্টেম্বর ১৬, ২০১৯
সদ্যপ্রাপ্ত সংবাদ

রাজীবপুরে শিশু ধর্ষণের ঘটনায় মামলা রেকর্ড না করার অভিযোগ

সহিজল ইসলাম, রাজীবপুর, কুড়িগ্রাম
কুড়িগ্রামের রাজীবপুর উপজেলার মোহনগঞ্জ ইউনিয়নে সাখাওয়াত হোসেন নামের আ’লীগ নেতা কর্তৃক দ্বিতীয় শ্রেণীর এক ছাত্রীকে ধর্ষণের ঘটনা ধামাচাপা দেয়ার অভিযোগ উঠেছে।
ধর্ষক সরকারি দলের নেতা হওয়ার কারনে স্থানীয় এক প্রভাবশালী আ’লীগ নেতার মাধ্যমে  নির্যাতিত পরিবারটির ওপর প্রভাব বিস্তার করে এবং থানা পুলিশকে ম্যানেজ করে বর্বরোচিত ওই ঘটনা ধামাচাপা দেয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে বলে সাংবাদিকদের কাছে অভিযোগ করেছে ধর্ষণের স্বীকার মেয়েটির পরিবারের সদস্যরা। আদরের নাতনীর এই ঘটনায় শোক সইতে না পেরে দাদা আব্দুর রহমান (৬৫) আজ মঙ্গলবার সকালে মৃত্যুবরণ করেছেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ওই ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য আব্দুল বারেক। এদিকে এ ঘটনার চারদিন পেরিয়ে গেলেও থানায় কোন মামলা হয়নি। শিশু ধর্ষণের মতো একটি জঘন্য অপরাধ সংঘটিত হওয়ার পরও অভিযুক্ত লম্পট প্রকাশ্য ঘুরে বেড়ানোর ফলে এলাকাবাসীর মনেও নানা প্রশ্ন ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। শিশুটির উপর এই নির্যাতনের প্রতিবাদে ও ধর্ষকের শাস্তির দাবিতে মঙ্গলবার রাজীবপুর উপজেলা পরিষদ চত্বরে মানববন্ধন করেছে মুক্তির ডাক নামে একটি সংগঠন।
উল্লেখ্য, রাজীবপুর উপজেলার পাটাধোয়া পাড়া গ্রামের দিনমজুরের কন্যা দ্বিতীয় শ্রেণীর মেধাবী ছাত্রীক প্রলোভন দেখিয়ে শনিবার (১৭ আগস্ট) রাতে নিজের বাড়িতে ডেকে নিয়ে ধর্ষন করে প্রতিবেশী সাখাওয়াত হোসেন নামের ওয়ার্ড আ’লীগ নেতা। এরপর শিশুটি অসুস্থ হয়ে পড়লে প্রথমে রাজীবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এবং পরে জামালপুর সদর হাসপাতালে চিকিৎসা প্রদানসহ ডাক্তারি পরীক্ষা করা হয়। নির্যাতিত শিশুটির বাবা সাংবাদিকদের বলেন, আমরা গরীব মানুষ। ওরা সরকারি দল করে। মামলা করতে না করে, থানায় অভিযোগ দিয়েছি মামলা এহনও রেকর্ড হয় নাই। মামলা না রেকর্ড করার বিষয়ে জানতে চাইলে ঢুষমারা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ রুহানী বলন, ঘটনাটি জানার পর আমি নির্যাতিত পরিবারের বাড়িতে ও হাসপাতালে গিয়ছিলাম এবং তাদের অভিযাগ নিয়ে থানায় আসতে বলছি। শিশুটির বাবা অভিযোগ দিয়ে গেছে। তবে এখনও মামলা রেকর্ড করা হয়নি, ডাক্তারি রিপোর্ট পেলেই মামলা রেকর্ড করব।
error: Content is protected !!