মঙ্গলবার , সেপ্টেম্বর ১৭, ২০১৯
সদ্যপ্রাপ্ত সংবাদ

সরবরাহ কম, বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে সিগারেট

সহিজল ইসলাম, কুড়িগ্রাম
জুন মাস আসার আগেই বাজারে চাহিদার তুলনায় সিগারেট’র সরবারহ কমিয়ে দেয় কোম্পানি গুলো। এই সুযোগে প্রতিটি ব্র্যান্ড এর সিগারেটের দাম বাড়িয়ে বিক্রি করে খুচরা বিক্রেতারা। সিগারেট বাজারজাতকারী প্রতিষ্ঠানগুলো বলছে পরিমানে কম দিলেও তারা বাড়তি দাম নিচ্ছে না খুচরা বিক্রেতাদের কাছ থেকে।রাজীবপুর উপজেলায় প্রায় প্রতিটি খুচরা বিক্রেতা বিভিন্ন ব্র্যান্ড এর প্রতি শলাকা সিগারেট ১ থেকে ২ টাকা পর্যন্ত বেশি দামে ভোক্তাদের কাছে বিক্রি করছে।
রাজীবপুর উপজেলার হাসপাতাল গেট, হাইস্কুল গেট, থানা মোড় সহ আরও কয়েকটি স্থান ঘুরে বেশি দামে সিগারেট বিক্রি করতে দেখা গেছে। দাম বেশি নেওয়ার কারনে অনেক সময় ক্রেতা বিক্রেতার মাঝে কথা কাটাকাটির ঘটনাও ঘটছে। উপজেলার পাঁচমাথা মোড়ের পান সিগারেট বিক্রেতা আশরাফুল ইসলাম (আকালু) বলেন মে মাস শুরু হলেই সিগারেট কম দেয়া শুরু করে কোম্পানিগুলো।ছোট ব্যাবসায়ীদের অনেকসময় সিগারেট না দিয়ে বড় ব্যাবসায়ীদের দেয় তাদের কাছে কিনতে গেলে দাম বেশি নেয়, বাধ্য হয়ে খুচরা বিক্রেতারা সকল সিগারেটের দাম ১ টাকা বেশি নিচ্ছে। হাইস্কুল গেটে ব্যাবসায়ী ফারুক আহমেদ বলেন, গত কয়েক দিন থেকে আমার দোকানে স্টার ব্র্যান্ড ছাড়া আর কোন সিগারেট দেয় না। তিনি প্রতি শলাকা ৫ টাকা করেই বিক্রি করেন বলে জানান। তিনি আরও জানান, বড় ব্যাবসায়ীরা মজুদ করে রাখে জুনের বাজেট ঘোষণা হওয়ার পর দাম বাড়লে বেশি দামে বিক্রি করে সিগারেট। দাম বেশি নেওয়ার বিষয়ে বিষয়ে নিয়মিত কয়েক জন ধূমপায়ীর সাথে কথা বলে জানা গেছে এক সপ্তাহ থেকে প্রতি শলাকা স্টার ও নেভি ৬ টাকা , ম্যারিজ ও ডারবি ৫ টাকা, গোল্ডলিফ ৯ টাকা ও বেনসন ১৩ করে নেওয়া হচ্ছে ।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে রাজীবপুর উপজেলার ব্রিটিশ আমেরিকান ট্যোব্যাকো’র সেলস রিপ্রেজেন্টিটিভ আশিক বলেন, সিগারেট বিক্রেতাদের কঠোরভাবে নিষেধ করা হয়েছে দাম বেশি না নেওয়ার জন্য।কোন ব্যাবসায়ী অতিরিক্ত দাম নিলে তার দোকানে সিগারেট সরবারহ করা হবে না। তবে ঢাকা ট্যোবাকো ও আবুল খায়ের ট্যোবাকো’র কোন কর্মকর্তার সাথে কথা বলা সম্ভব হয় নি।
error: Content is protected !!