রবিবার , ফেব্রুয়ারি ২৪, ২০১৯
সদ্যপ্রাপ্ত সংবাদ

জামালপুর- ২ আসন: ‘হ্যামিলনের বাঁশিওয়ালা’ জাতীয় পার্টির মোস্তফা আল মাহমুদ


স্পেশাল করসপনডেন্ট
জামালপুর-২ (ইসলামপুর) আসনে জাতীয় পার্টির প্রার্থী মোস্তফা আল মাহমুদ রয়েছেন শক্ত অবস্থানে। হ্যামিলনের বাশিওয়ালার মতো তিনি নতুন দিনের স্বপ্ন দেখিয়ে ইসলামপুর উপজেলার প্রতিটি ইউনিয়ন,ওয়ার্ড ও গ্রাম পর্যন্ত নেতাকর্মী ও সাধারণ ভোটারদের তার পক্ষ্যে ঐক্যবদ্ধ করেছেন। সৃষ্টি করেছেন বিপুল বিজয়ের সম্ভাবনা।
জাতীয় পার্টির স্থানীয় নেতা-কর্মীরা জানিয়েছেন, যোগ্য নেতৃত্বের অভাবে ইসলামপুর উপজেলায় জাতীয় পার্টির নেতাকর্মীরা যখন নিস্প্রভ হয়ে নিজেদের গুটিয়ে নিয়েছিল। ঠিক সেই সময় মোস্তফা আল মাহমুদ পার্টির হাল ধরেন। উপজেলা জাতীয় পার্টির আহবায়ক হয়েই তিনি দল গুছানোয় মনোযোগ দেন। বিগত ৫ বছরে সভা-সমাবেশ করে নেতাকর্মীদের উজ্জীবীত করেন। প্রতিটি ওয়ার্ড ও ইউনিয়নে শক্তিশালী কমিটি গঠন করেন। তার নেতৃত্বে জাতীয় পার্টির নেতাকর্মী ছাড়াও সাধারণ ভোটারা এখন অনেক বেশী উজ্জীবীত।
এই আসনে মহাজোটের মূলদল আওয়ামীলীগ নানা ধারায়-উপধারায় বিভক্ত রয়েছে দীর্ঘদিন থেকে। অবশ্যম্ভাবীভাবে যার প্রভাব পড়বে নির্বাচনে। এই আসনে বিএনপির সম্ভাব্য প্রার্থী সুলতান মাহমুদ বাবুও বেশ শক্তিশালী প্রার্থী । এই অবস্থায় জাতীয় পার্টির প্রার্থী মোস্তফা আল মাহমুদের বিজয়ের সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশী বলে মনে করছেন স্থানীয় পর্যক্ষেকরা।
মোস্তফা আল মাহমুদ নদীভাঙ্গন কবলিত ইসলামপুর উপজেলার হতদরিদ্র মানুষের জীবনমান উন্নয়নে কাজ করছেন । যমুনার বিশাল চরের মানুষকে বিদ্যুতের আওতায় আনতে মন্নিয়ার চরে বসিয়েছেন সোলার বিদ্যুত প্লান্ট। এতে আলোকিত হয়েছে বিশাল চরাঞ্চল। মাস্টার প্লান করে নদীভাঙ্গন রোধ, ইসলামপুরে অর্থনৈতিক জোন স্থাপন করে ব্যবসা বানিজ্য ও কর্মসংস্থানের সৃষ্টি করা ছাড়াও ইসলামপুরের মানুষের ভাগ্যোন্নয়নে নানা পরিকল্পনা রয়েছে তার। ফলে সাধারণ ভোটারা এবার তাকেই চাইছেন এমপি হিসেবে। বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে শেষ পর্যন্ত মহাজোট জাতীয় পার্টির জন্য এই আসনটি ছেড়ে দিবে এমনটাই আশা করছেন পার্টির নেতাকর্মীরা।