বৃহস্পতিবার , অক্টোবর ১৮, ২০১৮
সদ্যপ্রাপ্ত সংবাদ

ঝাউগড়ায় স্থানীয় মেম্বারের সহায়তায় ১ মেয়ের ২ বার বাল্য বিয়ে


এম আলমগীর, স্টাফ করসপনডেন্ট
জামালপুরের মেলান্দহ উপজেলা ঝাউগড়া ইউনিয়নের স্থানীয় মেম্বারের সহায়তায় ১ মেয়ের ২ বার বাল্য বিয়ে হওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। ঘটনাটি ঘটেছে মেলান্দহ উপজেলার ঝাউগড়া ইউনিয়নের পইরবাড়ী এলাকার সুরুজ মিয়ার মেয়ে সুইটি (১৪) সাথে।
সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, সুইটি ঝাউগড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের ৯ম শ্রেণিতে থাকা অবস্থায় পাশের বাড়ির সাক্কের আলীর একাদশ শ্রেনিতে পড়–য়া ছাত্র সবুজের সাথে গোপনে কাবিন না করে স্থানীয় মৌলভী দ্বারা বিয়ে দেয় সুইটির মা মমতাজ বেগম। এরপর সুইটির পরিবারের কেউ বিষয়টি মেনে না নেওয়ায় গোপনে সুইটির নানীর বাড়ি নিয়ে একই ইউনিয়নের টগারচর এলাকার মোহাম্মদ আলীর গার্মেন্টস এ চাকুরীরত ছেলে রাশেদুল ইসলাম জান্নাতের সাথে বিয়ে দেয়। বিয়েতে স্থানীয় মেম্বার রফিক মিয়া দাড়িয়ে থেকে পূর্বের মতোই কাবিন না করে স্থানীয় মৌলভী দ্বারা বিয়ে দেয়। বিয়েতে সুইটির কোন ইচ্ছা না থাকায় জোরপূর্বক তাকে বিয়ে দেওয়া হয়। বিয়ের দেড় বছর পর সুইটি পুনরায় সুইটির চাচা শফিকুল ইসলাম ও মা মমতাজ বেগমের সহায়তায় সবুজের সাথে পালিয়ে যায়। বিষয়টি নিয়ে এলাকায় তিনটি পরিবারের মাঝে কলহ চলে আসছে। একই মেয়ের দুই বার বাল্য বিয়ে হওয়া নিয়ে এলাকার লোকদের মাঝে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। তবে এলাকাবাসী এ ঘটনার জন্য সুইটির পরিবারকেই দায়ী করছে। বর্তমানে সুইটি ও সবুজ পলাতক রয়েছে। এলাকাবাসীর প্রশ্ন একজন ইউপি সদস্য কীভাবে দাড়িয়ে থেকে বাল্য বিয়ে দেয়। এ বিষয়ে সুইটির বাবা সুরুজ আলীকে জিজ্ঞাসা করলে তিনি স্থানীয় মেম্বার রফিক মিয়া ও তার ভাই শফিকুলের সাথে যোগাযোগ করতে বলেন। ঝাউগড়া বঙ্গবন্ধু কলেজের অধ্যক্ষ বয়সের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, সুইটি আমার কলেজে সবে মাত্র ভর্তি হয়েছিল। ইউপি সদস্য রফিক মিয়া এ বিষয়ে বলেন, তিনি এ বিষয়ে কিছুই জানেন না।