রবিবার , অক্টোবর ২১, ২০১৮
সদ্যপ্রাপ্ত সংবাদ

লাগামবিহীন অনিয়ম আর দূর্নীতির কারণে উচ্চ আদালতে রীট-পিটিশন !

শামীম আলম, স্টাফ করসপনডেন্ট
জামালপুর সদর উপজেলার বারুয়মারী গ্রামে ছোলেমা আহমদ নিম্ন মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়টি ২০০০ সালে স্থাপিত হয় (ই, আই, এন, এন নং-১০৯৮৬২) । ২০১৭ সাল হতে শিক্ষক নিয়োগ সহ ম্যানেজিং কমিটি গঠনে ব্যাপক অনিয়ম ও দূর্নীতির জন্য মহামান্য উচ্চ আদালতে অত্র প্রতিষ্ঠানের সহকারী শিক্ষক (শরীরর্চচা) মো: মিজানুর রহমান গত ০৯ সেপ্টেম্বর ২০১৮ তারিখে রীট-পিটিশন দাখিল করেন যার নং-১১৫৫৫/২০১৮ইং । বিগত বিদ্যালয়ের বার্ষিক শিক্ষা জরিপে ২০০৩ সাল হতে ২০১৬ সাল পর্যন্ত প্রধান শিক্ষক এর কলামে প্রতিষ্ঠাতা প্রধান শিক্ষক মো: বুলবুল ইসলামের নাম ছিল। ২০১৭ সালে সহকারী শিক্ষক মোঃ রফিকুল ইসলাম নিজেকে প্রধান শিক্ষক এর কলামে নিজের নাম অন্তর্ভুক্ত সহ নতুন আরো তিন জন শিক্ষকের নাম অন্তর্ভুক্ত করেন এবং মিজানুর রহমানের নাম বাদ দেওয়া হয় ৭ লক্ষ টাকা না দিতে পারায় । রফিকুল ইসলাম প্রধান শিক্ষক হিসাবে নিজের নামে সিল ব্যবহার করে বিভিন্ন শিক্ষা দপ্তরে চিঠি পত্র প্রদান করেন। উল্লেখ্য যে, এই প্রতিষ্ঠানের ৩১শে ডিসেম্বর ২০১৬ সালে ম্যানেজিং কমিটির মেয়াদ শেষ হয় এবং মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড ঢাকা হতে গত ১০ অক্টোবর ২০১৭ সালে ৭৬/নতুন/জামাল/০৬৯২ এই সূত্রে বিদ্যালয় বরাবর কারন দর্শনোর নোটিশ দেন এবং ১১ ডিসেম্বর ২০১৭ সালে এডহক কমিটি গঠনের অনুমতি দেন। প্রধান শিক্ষক হিসাবে মো: রফিকুল ইসলাম সহ আরোও নতুন ৩ জন শিক্ষককে নিয়োগ দেন। অপরদিকে শিক্ষা মন্ত্রণালয় মাধ্যমিক অনুবিভাগ হতে ২২ অক্টোবর ২০১৫ সালে এস, আর, ও নং ৩০৯-আইন/২০১৫ । ২০০৫ সালের ১নং আইন এর ধারা ২১ এ প্রদত্ত ক্ষমতা বলে বেসরকারী বিদ্যালয়ের শিক্ষক এর আওতাধীন যেখানে ম্যানেজিং কমিটি শিক্ষক নিয়োগ দেওয়ার ক্ষমতা রাখে না, তাহলে মোঃ রফিকুল ইসলাম সহ বাকী নতুন ৩ জন শিক্ষক কিভাবে নিয়োগ হয়। ২০১৬ সালে শিক্ষকের তালিকার সাথে ২০১৭ সালের কোন মিল নেই ও কমিটিও নেই এবং প্রতিষ্ঠানটির (এন, টি, আর, সি, এ) তে ও এই নিয়োগের জন্য কোন চাহিদা দেওয়া হয়নি। গত ২৫ জুলাই ২০১৮ সালে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড ঢাকা নং-৭৬/নতুন/জামাল/২০৩২৭, ১০ সদেস্য বিশিষ্ট ম্যনেজিং কমিটির অনুমোদন দেন কিন্ত এই কমিটিতে যে ২ জন শিক্ষক প্রতিনিধি ১ জন মো: ওয়াহেদ আলী, অপরজন সুরাইয়া খাতুন দুঃখের। বিষয় এরা কেউ শিক্ষক নন, অপরদিকে এই প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাতা মো: মশিউর রহমান, কিন্তু উনাকে দাতা সদস্য করা হয় ও আফজাল হোসেন বিদ্যুৎ কে প্রতিষ্ঠাতা সদস্য করা হয়, অথচ এই আফাজাল হোসেন বিদ্যুৎ কে তার অনিয়মের জন্য গত ১৪ নভেম্বর ২০১২ তারিখে কমিটির সভাপতি পদ হতে অনাস্থা দেন এবং ২৫ নভেম্বর ২০১২ তারিখে অভিভাবক সদস্য হাসেন আলী (হাসু) শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান মহোদয়ের নিকট আবেদন করেন ও ২৬ ফেব্রয়ারী ২০১৩ তারিখে বোর্ড হতে জেলা শিক্ষা অফিসারকে তদন্ত করার অনুরোধ করা হয়, (নং-৭৬/নতুন/জামাল/২৭১৬) এই সকল অনিয়মের দুর্নীতির জন্য রীট-পিটিশিন দাখিল করা হয়েছে উচ্চ আদালতে।