শনিবার , আগস্ট ১৮, ২০১৮
সদ্যপ্রাপ্ত সংবাদ

জামালপুরে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের উপর হামলায় আহত ৩


এম আলমগীর, স্টাফ করসপনডেন্ট
জামালপুর শহরের নাওভাঙ্গা চর এলাকায় নদীতে মাছ ধরাকে কেন্দ্র করে তুচ্ছ ঘটনায় যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ সুরুজ্জামানের পরিবারের উপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবার দুপুরে নাওভাঙ্গাচরে এই ঘটনায় তার পরিবারের তিন সদস্য গুরুতর আঘাতপ্রাপ্ত হয়ে জামালপুর জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রয়েছে।

স্থানীয় ও মুক্তিযোদ্ধা পরিবার সূত্র জানায়, বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ সুরুজ্জামানের বাড়ীর পাশে ব্রহ্মপুত্র নদীতে মাছ ধরার জন্য চার ফেলে মুক্তিযোদ্ধার ছেলে মোতালেব। তার পাশের বাড়ীর প্রতিপক্ষ এরশাদের ছেলে মোঃ ফারুক সেই চারে মাছ ধরতে গেলে বাধা দেয়ায় দুই জনের মাঝে বাকবিতন্ডা হয়। এর একপর্যায়ে শুক্রবার দুপুরে নাওভাঙ্গা চরের এরশাদের স্ত্রী ফরিদা বেগম, ছেলে ফারুক ও মেয়ে আঁখি, নাওভাঙ্গা চরের আমজাদের ছেলে শাহীন ও শামীম, পৌর গোরস্থান এলাকার মৃত সেকান্দার আলীর ছেলে দুলাল, এরশাদ আলী ও জুরল, দুলালের ছেলে তোতা, সাইফুল ও শাজাহান, গুয়াবাড়ীয়ার এলাকার জহের, নাওভাঙ্গা চরের আমজাদের মেয়ে বন্যা, নাওভাঙ্গা চরের নূরুল ও তার স্ত্রী জমিলা বেগমসহ সঙ্গবদ্ধ ১০/১৫ জনের একটি দল পূর্বপরিকল্পিত ভাবে সকালে তার বাড়ীঘর ভাংচুর করে এবং প্রতিপক্ষরাই সদর থানায় পুলিশকে খরব দেয়। সদর থানার এসআই জিকরুল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। তিনি দুই পক্ষকেই নিজেদের মধ্যে ঘটনার আপোষ মিমাংশার কথা বলে চলে আসেন। পরে দুপুরে প্রতিপক্ষ ১০/১৫ জনের একটি দল দেশীয় অস্ত্রে সুজজ্জিত হয়ে যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ সুরুজ্জামানের দ্বিতীয় স্ত্রী জরিনা বেগম, প্রথম স্ত্রী মালেকা বেগম ও ছেলে মোতালেরবের উপর অতর্কিত ভাবে হামলা চালায়। পরিবার সূত্র জানায়, হামলায় মোঃ সুরুজ্জামানের দ্বিতীয় স্ত্রী জরিনা বেগমের মাথায় দুটি স্থানে ও ছেলে মোতালেব মাথার একটি স্থানে দেশীয় অস্ত্রে আঘাত প্রাপ্ত হয় এবং লাঠির আঘাতে প্রথম স্ত্রীর ডান হাত ভেঙ্গে যায়। গুরুতর আঘাতে আঘাতপ্রাপ্ত হয়ে তারা জামালপুর জেনারেল হাসপাতালে বিভিন্ন ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রয়েছে। এই ঘটনায় জামালপুর সদর থানায় মামলা দয়েরের পক্রিয়া চালাচ্ছেন বলে মুক্তিযোদ্ধা পরিবার জানান।