শনিবার , আগস্ট ১৮, ২০১৮
সদ্যপ্রাপ্ত সংবাদ

বকশীগঞ্জে এইচএসসি পরীক্ষায় প্রথম বছরেই আলহাজ গাজী আমানুজ্জামান মডার্ন কলেজের চমক !

স্টাফ করসপনডেন্ট, বকশীগঞ্জ

জামালপুরের বকশীগঞ্জে এইচএসসি ও আলিম পরীক্ষার ফলাফলে প্রথম বছরেই চমক দেখিয়েছে আলহাজ গাজী আমানুজ্জামান মডার্ন কলেজ। ১৯ জুলাই প্রকাশিত হয়েছে এইচএসসি ও আলিম পরীক্ষার ফলাফল। ফলাফলে উপজেলায় কোন প্রতিষ্ঠান জিপিএ-৫ পায় নি।

এবারের পরীক্ষার ফলাফলে গত বছরের চেয়ে খারাপ করেছে বকশীগঞ্জ সরকারি কিয়ামত উল্লাহ ও খাতেমুন মঈন মহিলা ডিগ্রি কলেজের শিক্ষার্থীরা।

বকশীগঞ্জ উপজেলার সকল প্রতিষ্ঠানের ফলাফল বিশ্লেষণ করে জানা যায়, আলহাজ গাজী আমানুজ্জামান মডার্ন কলেজ ফলাফলের দিক দিয়ে শ্রেষ্ঠ প্রতিষ্ঠান হয়েছে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ২০১৬ সালের পয়লা ফেব্রুয়ারিতে প্রতিষ্ঠিত হয় আলহাজ গাজী আমানুজ্জামান মডার্ন কলেজ। চরাঞ্চলের মানুষের ছেলে মেয়েরা যেন পড়াশুনায় এগিয়ে যেতে পারে সে লক্ষ্যে আলীরপাড়া গ্রামের কৃতি সন্তান আলহাজ প্রকৌশলী গাজী মো. আমানুজ্জামান  এই কলেজটি প্রতিষ্ঠা করেন।

এ বছরই এই কলেজ থেকে প্রথমবার এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নেন ১৫৮ জন শিক্ষার্থী। এর মধ্যে পাস করেছে ১৫৭ শিক্ষার্থী । এই কলেজের পাসের হার ৯৯.৩৭ শতাংশ। জিপিএ-৫ না পেলেও অবিশ্বাস্য ফলাফলে আনন্দ বিরাজ করছে শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে। ফলাফল প্রকাশের পর ব্যাপক উৎসাহ ও উদ্দীপনা দেখা দিয়েছে শিক্ষার্থীদের মধ্যে। ঢোল-সানাই বাজিয়ে আনন্দ উপভোগ করছে শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা।

আলহাজ গাজী আমানুজ্জামান মডার্ন কলেজের অধ্যক্ষ মো. হেলাল উদ্দিন খান বলেন, আমরা আমাদের কাঙ্খিত ফলাফলের আশা করে সেখানে পৌঁছেছি। আমরা বরাবরই মান সম্মত পাঠদান ও শিক্ষা অর্জনে বদ্ধপরিকর।

ভবিষ্যতে শতভাগ পাস সহ জিপিএ-৫ নিশ্চিত করাই হবে আমাদের চ্যালেঞ্জ।

বকশীগঞ্জ সরকারি কিয়ামত উল্লাহ কলেজের ফলাফলে এবার ধ্বস নেমেছে। গত বছরের চেয়ে পাসের হার কমেছে এই সরকারি কলেজে।

এবার ৯৯২ জন পরীক্ষায় অংশ নিয়ে পাস করেছে ৪৩২ জন। পাসের হার ৪৩.৫৪ শতাংশ। গত বছর এই কলেজে পাসের হার ছিল ৫২ শতাংশ। ফলাফলে ধ্বস নেমেছে খাতেমুন মঈন মহিলা ডিগ্রি কলেজেও। এবার ৩০৬ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়ে পাস করেছে ১৩৯ জন । পাসের হার ৪৫.৪২ শতাংশ। গত বছর এই কলেজের পাসের হার ছিল ৫০ শতাংশ।

অপরদিকে আলিম পরীক্ষায় বাট্টাজোড় কে.আর.আই কামিল মাদরাসার ফলাফলে ২২৪ জন অংশ নিয়ে পাস করেছে ২০৬ জন পরীক্ষার্থী। এই মাদরাসায় পাসের হার ৯১.৯৬ শতাংশ।