বুধবার , আগস্ট ২১, ২০১৯
সদ্যপ্রাপ্ত সংবাদ

মেলান্দহে ঈদুল ফিতরের ভিজিএফ বিতরণে অনিশ্চয়তা


শাহীন আলম, স্টাফ করসপনডেন্ট, মেলান্দহ
জামালপুরের মেলান্দহে ঈদুল ফিতরের ভিজিএফ’র চাল হতদরিদ্রদের মাঝে বিতরণে অনিশ্চিয়তার আশংকা করা হচ্ছে। গত ঈদুল ফিতর উপলক্ষে উপজেলার হতদরিদ্রদের জন্য দুরমুঠ ইউনিয়নে ৪৩.৭২০, কুলিয়া ৫২.৩৪০, মাহমুদপুর ৬৮.৮০০, নাংলা ৪৮.৯৬০, নয়ানগর ৪৬.৯৩০, আদ্রা ৫০.০৫০, চরবানিপাকুরিয়া ৬০.৪০০, ফুলকোচা ৫০.০৪০, ঘোষেরপাড়া ৬৫.২৬০, ঝাউগড়া ৫০.৮৪০, শ্যামপুর ইউনিয়নের জন্য ৩৩.১৫০ মে:টন এবং মেলান্দহ পৌরসভা ৩০.৮১০ মে:টন ও হাজরাবাড়ি পৌরসভার জন্য ১৫.৪০০ মে: টন সহ সর্বমোট ৬১৬.৪০০ মে:টন চাল বরাদ্দ দেয়া হয়।
ঈদের আগই হতদরিদ্রদের মাঝে এই চাল বিতরণ করার কথা ছিল। একদিকে জুন ক্লোজিং, চেয়ারম্যানদের বিভিন্ন প্রকল্পের বিল উত্তোলনে প্রস্তুতি, অপরদিকে ঈদের আমেজে রিলিফ অফিসারদের ঈদের ব্যাস্ততার কারণে ভিজিএফ’র চাল বিতরণ ভেস্তে যায়। অভিযোগ ওঠেছে ঈদের আগে হাতে গোনা কয়েক ইউনিয়নে নামমাত্র কিছু চাল বিতরণ দেখিয়ে কালোবাজারে বিক্রি করে। বিতরণকৃতদের তালিকা অনুযায়ী খোজ নিলেই তা প্রমানিত হবে। স্বল্পমাত্রার ভিজিএফ বিতরণকে শতভাগ বিতরণ দেখিয়ে বাকি চাল আত্মসাতের পায়তারাও চলছে। এ নিয়ে সংশ্লিষ্ট ইউপি মেম্বারদের মাঝে তীব্র ক্ষোভ বিরাজ করছে। অনেক ইউনিয়নের হতদরিদ্রদের তালিকা প্রস্তুত নিয়েও মেম্বারদের মাঝে বিরোধ চলছে। ফলে এখনো তালিকা চুড়ান্ত করতে পারছে না। সচেতন মহল মনে করেন, বরাদ্দকৃত ভিজিএফ’র অর্ধেক হতদরিদ্রদের মাঝে বিতরণ করলেও ভিজিএফ নেয়ার লোক থাকবে না। এ ক্ষেত্রে হতদরিদ্রদের নামে চাল বিতরণে তালিকা প্রস্তুত নিয়েও প্রশ্ন তোলা হয়েছে।
নামপ্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন মেম্বার জানান, এ নিয়ে উপজেলা চেয়ারম্যানের কাছেও ধর্ণা দিয়েছি। এ ব্যাপারে পিআইও আ: রাজ্জাক জানান, যথাসময়ে চেয়ারম্যানরা ঈদের আগে হতদরিদ্রদের তালিকা জমা না দেয়ায় চাল বিতরন হয়নি। অচিরেই বিতরণের ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে। তিনি আরো বলেন, চেয়ারম্যানদের সহযোগিতা আন্তরিকতা ছাড়া শুধুই সরকারি কর্মকর্তাদের দ্বারা শতভাগ অনিয়ম এবং সরকারের যেকোন কাজ বাস্তবায়ন হয় না।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তামিম আল ইয়ামীন জানান, অনিয়ম রোধে ঈদের পরে চাল বিতরণের সিদ্ধান্ত হয়। আমি নিজেও বিতরণ দেখেছি। এরপরও দু-একটি ইউনিয়নে বিতরণ বাকি আছে।

error: Content is protected !!